ভিটামিন মোট ১৩ প্রকারের হয়, যা দুইটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:
১. চর্বিজনিত (Fat-soluble) ভিটামিন:এগুলো শরীরে চর্বি বা তেলের মধ্যে দ্রবণীয় এবং অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে শরীরে সঞ্চিত হতে পারে। এসব ভিটামিন হলো:
- ভিটামিন A (রেটিনল)
- ভিটামিন D (ক্যালসিফেরল)
- ভিটামিন E (অ্যালফা টোকোফেরল)
- ভিটামিন K (ফাইলোকুইনোন)
২. পানি দ্রবণীয় (Water-soluble) ভিটামিন:
এগুলো শরীরে পানির মধ্যে দ্রবণীয় এবং অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এসব ভিটামিন হলো:
- ভিটামিন B1 (থিয়ামিন)
- ভিটামিন B2 (রিবোফ্লাভিন)
- ভিটামিন B3 (নিয়াসিন)
- ভিটামিন B5 (প্যান্থোথেনিক অ্যাসিড)
- ভিটামিন B6 (পাইরিডোক্সিন)
- ভিটামিন B7 (বায়োটিন)
- ভিটামিন B9 (ফোলেট বা ফলিক অ্যাসিড)
- ভিটামিন B12 (কোবালামিন)
- ভিটামিন C (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড)
এই ভিটামিনগুলো প্রতিটি শরীরের সঠিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।